← All posts
Software

ঠিকানার যাত্রা যেভাবে শুরু হলো। How the Journey of Thikana Started

15 April 2026·1 min read·Maruf Prince

প্রতিটি সফটওয়্যারের পেছনে একটা সমস্যা থাকে। একটা সত্যিকারের, হাড়ে-হাড়ে অনুভব করা সমস্যা। ঠিকানার পেছনেও আছে — আর সেটা কোনো কল্পিত "ইউজার পার্সোনা" থেকে না, নিজের বাড়ি থেকে জন্ম নেওয়া।

শুরুটা কীভাবে হয়েছিল

আমাদের বাড়িতে যখন ভাড়াটে কম ছিল, তখন সব কিছু সহজ ছিল। হাতে হিসাব রাখা যেত। কে কত দিল, কার কতটুকু বাকি — মাথায় বা একটা খাতায় লিখে রাখলেই চলত। সমস্যা ছিল না। কিন্তু বাড়ি বড় হলো। ফ্লোর বাড়ল। ভাড়াটে বাড়ল। ধীরে ধীরে সেই সংখ্যাটা দাঁড়াল ৩১-এ।

প্রতি মাসে যা হতো

প্রতি মাসের শুরুতে একটা বড় কাজ অপেক্ষা করত। প্রতিটি ফ্ল্যাটের সাবমিটার রিডিং নিতে হতো — গত মাসের রিডিং খাতায় খুঁজতে হতো। তারপর ইউনিট বের করতে হতো। তারপর সেই ইউনিটের সাথে ইউনিট রেট গুণ করে বিল বানাতে হতো।

শুধু বিদ্যুৎ বিলই না — প্রতিটি ফ্ল্যাটের ভাড়া আলাদা। কোনোটা ৮,০০০, কোনোটা ৬,০০০, কোনোটা ৬,৫০০। প্রতিটি লিখতে হতো, দুইবার চেক করতে হতো।

প্রতিটি স্লিপে থাকত: ভাড়া + বিদ্যুৎ বিল + বকেয়া (যদি থাকে) + সার্ভিস চার্জ = মোট পরিশোধযোগ্য। এই হিসাবটা ৩১ বার করতে হতো। ক্যালকুলেটরে। প্রতি মাসে।

একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের ভেতরে কিছু একটা নাড়া দিল

আমি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। সারাদিন সফটওয়্যার দিয়ে জটিল সমস্যা সমাধান করি। আর নিজের বাড়ির সবচেয়ে সহজ হিসাবটা হাতে করতে গিয়ে মাসে মাসে ভুল হচ্ছে — এটা মানা যাচ্ছিল না।

তখন মাথায় এল: এটা তো ডিজিটালি সমাধান করা যায়। একটা অ্যাপ যেখানে একবার ফ্ল্যাটের তথ্য ঢোকালে, প্রতি মাসে শুধু সাবমিটার রিডিং দিলে — বাকি সব হিসাব নিজে নিজে হয়ে যাবে।

তখনই ঠিকানার আইডিয়াটা মাথায় আসে। শুধু নিজের বাড়ির জন্য না — বাংলাদেশের সব বাড়িওয়ালার জন্য।

ঠিকানা কী সমাধান দেয়

ঠিকানা বানানো হয়েছে ঠিক ওই সমস্যাগুলো মাথায় রেখে যেগুলো আমি নিজে ভুগেছি:

সাবমিটার রিডিং থেকে বিল পর্যন্ত: প্রতি মাসে শুধু কারেন্ট মিটার রিডিং দিন — ঠিকানা নিজে থেকে আগের রিডিং বিয়োগ করে ইউনিট বের করবে, তারপর রেট দিয়ে গুণ করে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করবে।

স্বয়ংক্রিয় স্লিপ: ভাড়া + বিদ্যুৎ + বকেয়া + সার্ভিস চার্জ — সব যোগ হয়ে মোট বিল তৈরি হয়। প্রিন্ট করুন বা সরাসরি পাঠিয়ে দিন।

বকেয়া ট্র্যাকিং: কে কখন কত দিয়েছে, কার কতটুকু বাকি — সব এক জায়গায়। আর মনে রাখতে হবে না।

৩১ ভাড়াটে, এক অ্যাপ: যত ভাড়াটেই থাকুক, সব একসাথে ম্যানেজ করুন।

Thikana was born from a real problem — managing 31 tenants across multiple floors with individual sub-meters, each with different rents, service charges, and arrears. Manual calculations every month led to inevitable errors. As a computer engineer, the solution was clear: build software that handles the math automatically. And if the problem exists at home, it exists for thousands of landlords across Bangladesh. That's how Thikana became more than a personal tool — it became a product for every Bangladeshi property owner.

নামের অর্থটাও একটু বলি

"ঠিকানা" মানে শুধু বাড়ির নম্বর না। বাংলায় ঠিকানা মানে — কোথায় আছেন, কীভাবে আছেন, সব ঠিকঠাক আছে কিনা। "ki obostha?" এর উত্তর। আপনার সম্পত্তির পুরো অবস্থাটা এক জায়গা থেকে দেখতে পাওয়া — সেটাই ঠিকানার উদ্দেশ্য।

Manage Every Property From One Address.

আপনার বাড়ির হিসাব এখন সহজ করুন - ঠিকানা ব্যবহার করুন

MP

Maruf Al Hossain Prince

Founder, ilmsoft.tech · MSc @ IUT

Share